Featured
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

Wednesday, May 3, 2017

ইউটিউবে সালমার ‘দরদ’ ভিডিও




মিডিয়া স্টারস:
মহান মে দিবসে ইউটিউবে প্রকাশ হয়েছে ‘মন মাঝি’ অ্যালবামের ‘দরদ’ গানের লিরিক্যাল ভিডিও। গানটি অডিও প্রকাশের পর এরইমধ্যে দর্শকদের মনে সাড়া ফেলেছে। এবার প্রকাশ হলো এর ভিডিও।

‘কেন এতো দরদ রে তোর/ আমার লাগি পোড়াস অন্তর/ দিবা নিশি এক করে দিস/ উজাড় করে বুকের পাজর’- এমন কথায় সাজানো গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকবি জাহিদ আকবর। সুর করেছেন জিয়াউদ্দিন আলম ও সংগীত পরিচালনা করেছেন রেজওয়ান শেখ।
গানের ভিডিওটি নিয়ে সালমা বলেন, ‘এক বছর পর আমার অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে। ১১তম একক অ্যালবাম ‘মন মাঝি’। অ্যালবামের টাইটেল গানটি প্রকাশ হয়েছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে। বাকি দুইটি গানের মধ্যে আরো একটি গান মে দিবসে উপলক্ষে আজ প্রকাশ পেয়েছে জিসান মাল্টিমিডিয়ার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে। আশা করছি ‘মন মাঝি’ গানের মত দর্শকদের কাছে ‌‘দরদ’ গানটির ভিডিওটিও জনপ্রিয় হবে।’

নতুন ফ্যাশন- ঠোঁট কমানো!




মিডিয়া স্টারস: আজকের তরুণদের দিকে তাকালে, আপনি হয়তো মনে করতে পারেন যে, তাদের স্বপ্ন, সবকিছুই ভিন্নতর সুন্দর দেখানো লাগবে।

যেমন ঠোঁটের কথাই ধরা যেতে পারে। কিছুদিন আগেও দেখা গিয়েছিল ঠোঁট পুরু দেখানোর ফ্যাশন। পুরু ঠোঁট দেখাতে কেউ সিলিকন ইনজেকশন নিচ্ছে, আবার কেউবা ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করছে।

কিন্তু এই পুরু ঠোঁটের ফ্যাশন এবার পরিবর্তন হচ্ছে। উদাহারণস্বরূপ, এশিয়ার অনেক দেশেই সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, ঠোঁট কমানোর ফ্যাশন। অপারেশনের মাধ্যমে অনেকেই ঠোঁটের আকার হ্রাস করছে!

অনেক এশীয় তরুণ নারীরা তাদের ওপরের ঠোঁটকে ঢেউ শেপ ও চিকন হিসেবে প্রাধান্য দিতে আগ্রহী। বিশেষ অপারেশনের মাধ্যমে ওপরের ঠোঁটকে ঢেউ শেপ ও চিকন করছে। শুধু তরুণীরা নয়, তরুণদের মধ্যে এই টেন্ড গ্রহণে লক্ষ্যণীয়ভাবে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মতো সময় লাগে এই অপারেশনে। এক সপ্তাহ পরেই নতুন ফ্যাশনেবল ঠোঁট ফুটে ওঠে মুখে। অপারেশন খরচ ২ হাজার ডলার থেকে শুরু করে ১১ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

যারা এই ট্রেন্ডে আগ্রহী তারা অবশ্য এর ব্যয়বহুলতা বিষয়টা নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নয়। পুরু ঠোঁট বা সিলিকন স্তনের মতো এটি আরেকটি রিমাইন্ডার যে, আমাদের সৌন্দর্য ধারণা অভীষ্ট নয় এবং ধ্রুবক না।

ফ্যাশন আসে এবং যায়। যেটা এখন আকর্ষণীয় মনে হয়, অন্য সময়ে বা অন্য স্থানে সেটাকে হাস্যকর বলে মনে করা হয়।

আপনি চেহারায় কোনো স্থায়ী পরিবর্তনে আগে টাকা ব্যয় সম্পর্কে চিন্তা করুন। যাতে কয়েক বছর পরে সিদ্ধান্তের জন্য দুঃখিত না হতে হয়!


এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে আরো একটি ফ্যাশন বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে, সেটি হচ্ছে, নাভির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নাভিতে প্লাস্টিক সার্জারি! এই ট্রেন্ড অবশ্য নিউ ইয়র্কে চলছে।


তথ্যসূত্র : লিফটার

মিডিয়া স্টারস অনলি/৩ মে ২০১৭/একেএ

Wednesday, April 12, 2017

অন্য নারীর জন্য কিমকে ছাড়ছেন স্বামী!




মহব্বতে
 সিনেমা খ্যাত বলিউড অভিনেত্রী কিম শর্মা। প্রেম, বিয়েসহ বিভিন্ন কারণে অতীতে আলোচনায় এসেছেন তিনি। সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এ অভিনেত্রী। গুঞ্জন উঠেছে, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হচ্ছে কিম শর্মার।

২০১০ সালে কেনিয়ান ব্যবসায়ী টাইকুন আলী পাঞ্জানির সঙ্গে কিমের বিয়ে হয়। এরপর গত কয়েক মাস ধরে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন কিম শর্মা। এখন গুঞ্জন উঠেছে, বিয়ের সাত বছর পর অন্য এক নারীর জন্য কিম-আলীর ঘর ভাঙছে।

তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন কিম। এ বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ বাজে কথা। আমি এ সকল বাজে বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই না।’

আলীকে বিয়ের আগে ক্রিকেটার যুবরাজ সিংয়ের সঙ্গে কিম শর্মার প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। এরপর ২০১০ সালে কেনিয়ার মোম্বাসায় আলীকে বিয়ে করেন এ অভিনেত্রী। মহব্বতে ছাড়াও তুমসে আচ্ছা কৌন হ্যায়, ফিদা সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

Sunday, March 26, 2017

ব্যবসায় নামলেন মিষ্টি


ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত। আগামী ২১ এপ্রিল মিষ্টি অভিনীত ‘তুই আমার’ সিনেমাটি সারাদেশে মুক্তি পাচ্ছে। এদিকে অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি।

রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিংমলের তৃতীয় তলায় ‘জান্নাত এক্সপ্রেস’ (দোকান নং  :৩৬৭) নামের ফ্যাশন হাউস খুলেছেন তিনি। গতকাল ২৪ মার্চ ‘তুই আমার’ সিনেমার পোস্টারের মোড়ক উন্মোচন ও এ ফ্যাশন হাউসের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র প্রযোজক ফরমান আলী, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর, চিত্রনায়ক রিয়াজ। এছাড়া এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়িকা অমৃতা, বিপাশা কবির, চিত্রনায়ক শিপন, ফারুক মজুমদারসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যক্তিরা।




এ সময় মিশা সওদাগর বলেন, “অনেক শিল্পীদের বৃদ্ধ বয়সে চিকিৎসার জন্য অন্যের কাছে হাত পাততে হয়। কাজ করতে না পারায় আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। বৃদ্ধ বয়সে চিকিৎসার জন্য অন্যের কাছে হাত পাততে না হয় তাই প্রত্যেক শিল্পীদের ব্যবসা করা উচিৎ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমাদের দেশে এটা কম দেখা যাচ্ছে। মিষ্টি নিজে ব্যবসার উদ্যোগ নিয়েছেন এটা খুবই ভালো। ‘জান্নাত এক্সপ্রেস’র সাফল্য কামনা করছি।”
চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, “আমি অভিনেতা ছাড়াও একজন ব্যবসায়ী। আমার ‘ফুড টোয়েন্টিফোর টুগেদার’ নামের একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। শিল্পী পরিচয়ের বাইরে ব্যবসায়ী পরিচয়ে পরিচিতি পাওয়া দোষের কিছু নয়। আমি ‘জান্নাত এক্সপ্রেস’র সাফল্য কামনা করি।”

মিষ্টি জান্নাত বলেন, “ রুচিশীল ও ফ্যাশনেবল পোশাক পাওয়া যাবে ‘জান্নাত এক্সপ্রেস’-এ। খুব শিগগিরই ঢাকার বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কেও ‘জান্নাত এক্সপ্রেস’র শাখা চালু হবে।”

সজল আহমেদ পরিচালিত ‘তুই আমার’ সিনেমাটিতে মিষ্টির বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। এছাড়া সম্প্রতি তার তামিল সিনেমার শুটিং করে দেশে ফিরেছেন মিষ্টি। ‘রংবাজ খিলাড়ি’শিরোনামের এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সত্যপ্রকাশ। এ সিনেমায় মিষ্টির বিপরীতে অভিনয় করছেন তামিল সিনেমার নায়ক রাকেশ ও বান্টি ব্যানার্জি। তাছাড়া ওপার বাংলার সূর্য্যের বিপরীতে ‘তুই আমার রানী’, সোহমের বিপরীতে ‘আমার প্রেম তুমি’শিরোনামের সিনেমাগুলোর শুটিং শেষ করে মুক্তি অপেক্ষায় রয়েছে।

মিষ্টি জান্নাত ২০১৪ সালের মাঝামাঝি ‘লাভ স্টেশন’  চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত এ সিনেমায় মিষ্টির বিপরীতে অভিনয় করেছেন বাপ্পি চৌধুরী। এরপর ২০১৫ সালে ‘চিনি বিবি’ শিরোনামের আরো একটি সিনেমার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। সিনেমা দুটি মুক্তি পেয়েছে।

বন্ধই হয়ে যাচ্ছে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’!


ভারতের জনপ্রিয় টিভি শো ‘দ্য কপিল শর্মা শো’। এ শোয়ের সঞ্চালক কপিল শর্মা। শোয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ সুনীল গ্রোভার, যিনি ডক্টর মাশহুর গুলাটি ও রিঙ্কু দেবী চরিত্রে অভিনয় করেন।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে শো করে ফেরার পথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন কপিল শর্মা ও সুনীল গ্রোভার। শোনা যায়, বিমানে সুনীলকে মারধর ও গালিগালাজ করেন কপিল। পরবর্তীতে শোয়ের শুটিং করেননি সুনীল।

সুনীল গ্রোভারের পর শোয়ের অন্য দুই সদস্য আলি আসগর ও চন্দন প্রভাকরও শোয়ে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে বন্ধ হয়ে যায় পরবর্তী পর্বের শুটিং। আর পুরো ঘটনায় বিরক্ত চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আগামী মাসে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’র চুক্তি নবায়ন হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, এ চুক্তির পরিমাণ ১০৬ কোটি রুপি। সহ-শিল্পীদের সঙ্গে কপিলের এমন ঘটনায় শোয়ের চুক্তি নবায়ন না করার চিন্তা করছেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম।

‘দ্য কপিল শর্মা শো’র প্রতি পর্বের জন্য সুনীল গ্রোভার পেতেন ৭ লাখ রুপি। অন্যদিকে ১ কোটি রুপি পেতেন কপিল।

এ শোয়ের সদস্য চন্দন জানিয়েছেন, তিনি কাজ করতে চান, কিন্তু শোয়ে ফেরার বিষয়টিতে স্বস্তি বোধ করছেন না। ‘জানি না কপিলের ওপর কার অভিশাপ লেগেছে, অক্টোবর থেকে শোয়ের টিআরপি শুধু নেমেই যাচ্ছিল।’ বলেন চন্দন।

দ্বন্দ্বের পর থেকে একে অন্যকে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে আনফলো করে দিয়েছিলেন কপিল ও সুনীল। তবে আবারো সুনীলকে ফলো করা শুরু করেছেন কপিল। কিন্তু এতেও তাদের মধ্যে বরফ গলছে না বলে জানা গেছে। সুনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দিলেও সুনীল এ শোয়ে ফিরবেন না। তিনি অন্য জায়গা থেকে কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছেন। তিনি বর্তমান অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে চাইছেন।’

একটি সূত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘বড় কোনো তারকা অতিথি না পাওয়ায় কপিলকে শোয়ের শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। এ কারণে তিনি ফিরাঙ্গি সিনেমার শুটিং করতে গিয়েছেন। আগামী ২৯ মার্চ মুম্বাইয়ে ফিরবেন তিনি।’

Tuesday, March 21, 2017

রনবীর-মাহিরার ভিডিও ভাইরাল



ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীরা আপাতত নিষিদ্ধ। ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক অবনতির জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। কিন্তু তাতে দূরে নেই দুই দেশের অভিনয়শিল্পীরা। তারই প্রমাণ মেলেছে দুই দেশের শিল্পীদের উপস্থিতিতে। আর এ নিয়ে তোলপাড় অন্তর্জাল দুনিয়া।

গতকাল সোমবার রনবীর কাপুরের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়েছে একটি ভিডিও। এতে একসঙ্গে দেখা যায় বলিউড অভিনেতা রনবীর কাপুর ও পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানকে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রনবীর। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে লাল রঙের জামা পরিহিত মাহিরা খান। কোনো একটি বিষয় নিয়ে পরস্পর কথা বলছেন তারা। ভিডিওতে অডিও না থাকায় ঠিক বুঝা যায়নি কি বলছেন তারা।

জানা গেছে, গত রোববার দুবাইয়ে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন রনবীর-মাহিরা খান। এ সময়ই একফ্রেমে বন্দি হয়েছেন তারা। ভিডিওটি প্রকাশের পরই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠে। এ ছাড়াও তাদের আরেকটি ভিডিও পরে প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে দুজনকে হাসিমুখে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, স্টেজে কোনো একটি দৃশ্যের জন্য তারা রিহার্সেল করছিলেন। তারই ভিডিও এগুলো।

যৌন হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী


ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী পাংখুরি। তার অভিনীত ‘কেয়া কসুর হ্যায় আমলা কা’ শিরোনামের নতুন নাটক খুব শিগগির প্রচার শুরু হবে। এতে একজন ধর্ষিতা নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন পাংখুরি। এ সময় তার অভিনীত চরিত্র প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। কথা প্রসঙ্গে পাংখুরি বলেন, ‘আমি দেশের অনেকগুলো শহরে থেকেছি। দিল্লি, চণ্ডীগড়, নয়ডা, বেঙ্গালুরুর মতো শহরে থাকার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, নগরজীবনে মেয়েরা খুব একটা নিরাপদ নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমিও নিজেও অনেক অস্বস্তিকর অবস্থার সম্মুখীন হয়েছি। যখন দিল্লিতে থাকতাম তখন রোজ মেট্টোয় উঠে কলেজ যেতে হতো। তখন ভিড়ের মধ্যে আমার সঙ্গে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে কিন্তু ছোট ছিলাম তাই  প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না।’

সম্প্রতি পাংখুরির সঙ্গে ঘটে যাওয়া তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমি বেঙ্গালুরু গিয়েছিলাম। কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম। আমার পরনে ছিল একটা শর্ট স্কার্ট। হঠাৎ খেয়াল করলাম, একটা লোক পেছন থেকে এসে আমার স্কার্টের তলায় হাত দিচ্ছে। লোকটা আমার উরু স্পর্শ করছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে লোকটাকে টেনে একটা থাপ্পড় মারি।’  

লাঞ্ছনার প্রতিবাদ করতে পেরে গর্বিত পাংখুরি। তিনি আশা করেন, এভাবে চারিপাশে যদি মেয়েরা সরব হয়ে উঠে তা হলে নারীনিগ্রহের হার কমবে বলেও জানান পাংখুরি।

Saturday, March 11, 2017

সবচেয়ে ব্যবসাসফল ১০ ভারতীয় সিনেমা

ছবির কোলাজ

মিডিয়া স্টারস ডেস্ক: উপমহাদেশে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিগুলোর মধ্যে ভারতীয় তথা বলিউড একটু এগিয়ে। তাদের সিনেমা নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। বিগত কয়েক বছর ধরে দেশটির বেশকিছু সিনেমা বক্স অফিসে শত শত কোটি রুপি আয় করে নিয়েছে।

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গল্পের পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহারও এগিয়ে যাচ্ছে তারা। সিনেমার জন্য কোটি কোটি টাকা যেমন খরচ করছেন, তেমনি বক্স অফিসে আয় করছেন শত শত কোটি টাকা।

ভারতের ইতিহাসে এ যাবৎ সবচেয়ে ব্যবসাসফল ১০ সিনেমা নিয়ে সাজানো আমাদের আজকের প্রতিবেদন।

পিকে : ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল সিনেমা ‘পিকে’। বিধু বিনোদ চোপড়া ও রাজকুমার হিরানি প্রযোজিত এই সিনেমাটি মূলত একটি সায়েন্স ফিকশন-কমেডি ঘরানার সিনেমা। এটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার হিরানি। সিনেমাটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন-আমির খান, অনুশকা শর্মা, সুশান্ত সিং রাজপুত, বোমান ইরানিসহ আরো অনেকে। ২০১৪ সালের শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি মুক্তির কয়েকমাসের মধ্যেই তালিকার শীর্ষে থাকা ‘ধুম-থ্রি’ সিনেমাকে অতিক্রম করে শীর্ষস্থান দখল করে। মাত্র ৮৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি এ পর্যন্ত সর্বমোট আয় করেছে ৭৯২ কোটি রুপি।

দঙ্গল :  নিতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘দঙ্গল’ সিনেমাটি মুক্তি পায় গত বছরের ডিসেম্বরে। মুক্তির অল্পদিনের মধ্যে সিনেমাটি দখল করে নেয় তালিকার দ্বিতীয় স্থান। এতে অভিনয় করেছেন আমির খান, সাক্ষী তানওয়ার, ফাতিমা সানাসহ আরো অনেকে। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন আমির খান, কিরন রাও এবং সিদ্ধার্থ রয় কাপুর। ‘দঙ্গল’ মূলত একটি বায়োগ্রাফিক্যাল-স্পোর্টস-ড্রামা ঘরানার সিনেমা। ৭০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি এখন পর্যন্ত আয় করেছে ৭৪১ কোটি রুপি।

বাহুবলি-দ্য বিগিনিং : তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে একইসাথে তামিল ও তেলেগু ভাষায় নির্মিত ভারতীয় সিনেমা ‘বাহুবলি : দ্য বিগিনিং’। এটি একটি ভারতীয় এপিক হিস্ট্রিক্যাল ফিকশন সিনেমা। এসএস রাজামৌলি পরিচালিত এই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১৫ সালে ১০ জুলাই। এতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা প্রভাস, রানা দাগ্গুবতি, অনুশকা শেঠি, তামান্না ভাটিয়াসহ আরো অনেকে। ১২০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৬৫০ কোটি রুপি।

বজরঙ্গি ভাইজান : ড্রামা ঘরানার বলিউড সিনেমা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে। সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই। কবির খান পরিচালিত এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সালমান খান, হার্শালি মালহোত্রা, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, কারিনা কাপুর খান সহ আরো অনেকে। ৯০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৬২৬ কোটি রুপি। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছিলেন সালমান খান এবং পারভেজ শায়েখ।

সুলতান : তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে রোমান্টিক-স্পোর্টস সিনেমা ‘সুলতান’। মাত্র ৭০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৫৮৯ কোটি রুপি। এতে অভিনয় করেছেন সালমান খান, অনুশকা শর্মাসহ আরো অনেকে। সিনেমাটি  পরিচালনা করেছেন আব্বাস আলী জাফর, প্রযোজনা করেছেন আদিত্য চোপড়া। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১৬ সালের ৬ জুলাই।

ধুম-থ্রি : ২০১৪ সালে ‘পিকে’ মুক্তির আগ পর্যন্ত ‘ধুম-থ্রি’ ছিল এই তালিকার প্রথম স্থানে। কিন্তু বর্তমানে আয়ের দিক থেকে এই সিনেমার অবস্থান তালিকার ষষ্ঠ স্থানে। আদিত্য চোপড়া প্রযোজিত এই অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন বিজয় কৃষ্ণ আচার্য। এতে অভিনয় করেছেন আমির খান, ক্যাটরিনা কাইফ, অভিষেক বচ্চন, উদয় চোপড়াসহ আরো অনেকে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১৭৫ কোটি রুপি। সিনেমাটি সর্বমোট আয় করে ৫৮৫ কোটি রুপি।

প্রেম রতন ধন পায়ো : রোমান্টিক-ড্রামা ঘরানার বলিউড সিনেমা ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর। ব্যবসায়ীক সাফল্যের কারণে সিনেমাটি রয়েছে এই তালিকার সপ্তম স্থানে। ১৮০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৪৩২ কোটি রুপি। এতে অভিনয় করেছেন সালমান খান, সোনম কাপুর, অনুপম খেরসহ আরো অনেকে।

চেন্নাই এক্সপ্রেস : রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার বলিউড সিনেমা ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ রয়েছে এই তালিকার অষ্টম স্থানে। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১৩ সালে ৯ আগস্ট। রোহিত শেঠি পরিচালিত এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন-শাহরুখ খান, দীপিকা পাড়ুকোনসহ আরো অনেকে। সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১১৫ কোটি রুপি। এটি সর্বমোট আয় করেছে ৪২৩ কোটি রুপি।

থ্রি-ইডিয়টস : ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘থ্রি-ইডিয়টস’ সিনেমাটি ২০১৩ সালে ‘ধুম-থ্রি’ মুক্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যবসাফল সিনেমা হিসেবে তালিকার প্রথমে ছিল। বর্তমানে এর অবস্থান এই তালিকার নবম স্থানে। বিধু বিনোদ চোপড়া প্রযোজিত কমেডি-ড্রামা সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন রাজকুমার হিরানি। এতে অভিনয় করেছেন আমির খান, মাধবন, শারমান জোশি, কারিনা কাপুর খান, বোমান ইরানিসহ আরো অনেকে। ৫৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৩৯৫ কোটি রুপি।

দিলওয়ালে : গৌরি খান এবং রোহিত শেঠি প্রযোজিত ‘দিলওয়ালে’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর। রোমান্টিক-অ্যাকশন ঘরানার এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন রোহিত শেঠি। এতে অভিনয় করেছেন-শাহরুখ খান, কাজল, বরুণ ধাওয়ান, কৃতি স্যাননসহ আরো অনেকে। ২০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সর্বমোট আয় করেছে ৩৮৯ কোটি রুপি।

এছাড়া আয়ের তালিকায় সেরা ভারতীয় সিনেমা হিসেবে এরপর যথাক্রমে রয়েছে ‘বাজিরাও মাস্তানি’, ‘কিক’, ‘কাবালি’, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’, ‘ব্যাং ব্যাং’ ইত্যাদি।



মিডিয়া স্টারস/ঢাকা/১১ মার্চ ২০১৭/নূর

Friday, March 10, 2017

কটুক্তির জবাব দিলেন সানি লিওন

সানি লিওনি

মিডিয়া স্টারস ডেস্ক: গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বলিউড সেনসেশন সানি লিওনকে কটুক্তি করে টুইট করেছিলেন নির্মাতা রাম গোপাল ভার্মা। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন এ নির্মাতা। এবার বিষয়টির জবাব দিয়েছেন সানি।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে রাম গোপাল ভার্মা লিখেছিলেন, ‘আমি চাই পৃথিবীর সব নারীরা পুরুষদের তেমন আনন্দ দিক যেমনটা সানি লিওন দেন।’

এই টুইটটি করার পর থেকেই তোপের মুখে পড়েন নির্মাতা রাম গোপাল ভার্মা। শুধু তাই নয় এ জন্য তার বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়। এছাড়া ফিল্ম সেটিং অ্যান্ড অ্যালাইড মজদুর ইউনিয়ন জানিয়েছে তারা এ নির্মাতাকে মুম্বাইয়ে কোনো শুটিং করতে দেবেন না।

ভার্মার এই টুইটের জবাবে এ নির্মাতার নাম উল্লেখ না করে টুইটারে একটি ছোট ভিডিওতে সানি বলেন, ‘আমি সব খবর পড়েছি। আমার বিশ্বাস পরিবর্তন তখনই আসবে যখন আমাদের কণ্ঠ এক হবে। সুতরাং ভেবে চিন্তে কথা বলুন।’

শাহরুখ খান অভিনীত রইস সিনেমায় সর্বশেষ দেখা গেছে সানি লিওনকে। এতে একটি আইটেম গানে নেচেছেন তিনি। এ অভিনেত্রীর পরবর্তী সিনেমা তেরা ইন্তেজার। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন আরবাজ খান। এছাড়া নূর, বাদশাহো সিনেমায় দেখা যাবে সানিকে।

মিডিয়া স্টারস/ঢাকা/১০ মার্চ, ২০১৭/নূর

বিচ্ছেদ যাদুঘর


পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জাদুঘর রয়েছে। নিজস্ব জাতি, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের নানা স্মৃতি সংরক্ষণ করতে এটি বহু প্রাচীন একটি পদ্ধতি। কিন্তু গতানুগতিক এই জাদুঘরের বাইরেও এক ধরনের জাদুঘর আছে, যেখানে সংরক্ষণ করা হয় প্রেম, ভালোবাসা ও বিয়ে বিচ্ছেদের পর একত্রে থাকাকালীন রোমান্টিক নানা স্মৃতি। আর এই জাদুঘর আছে পৃথিবীর মাত্র দুটি দেশে। একটি ক্রোয়েশিয়াতে, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রে।

২০০৬ সালে ক্রোয়েশিয়ার জাগরেব শহরে এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশটির দুই চারুশিল্পী অলিনকি ভিসটিকা ও ড্রাজেন গ্রুবিসকি এর উদ্ভাবক। যখন তাদের চার বছরের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যায় তখন তারা চিন্তায় পড়ে যান তাদের রোমান্টিক মুহূর্তের স্মৃতিগুলো কী করবেন।

একদিন তারা একে অপরকে ঠাট্টা করে একটি জাদুঘর তৈরি করে সেখানে স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের কথা বলছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তারা ততটা সিরিয়াসও ছিলেন না। এর তিন বছর পর ভিসটিকা গ্রুবিসকির সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাদের এই চিন্তার প্রতিফলন ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর তারা দুজন তাদের বন্ধুদের অনুরোধ করেন সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর কাছে থাকা স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য তাদের কাছে জমা দিতে। মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের কাছে আসতে থাকে নানা ধরনের স্মৃতি। কেউ নিয়ে আসেন হুইস্কির খালি বোতল, কেউ কৃত্রিম এক জোড়া স্তন, কেউবা আবার ছেঁড়া ব্লু জিন্সের প্যান্ট। এভাবেই জড়ো হতে থাকে নানা ধরনের স্মৃতি।

এসব স্মৃতি নিয়েই ২০০৬ সালে ক্রোয়েশিয়ার জাগরেব শহরে একটি অস্থায়ী জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করে সেখানে এগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন ভিসটিকা ও গ্রুবিসকি।

এর কয়েক বছর পর তারা সম্পর্ক বিচ্ছেদের নানা স্মৃতি সংগ্রহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একটি অভিযান পরিচালনা করেন। আর্জেন্টিনা থেকে ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যুক্তরাজ্যসহ ২০টি দেশ ভ্রমণ করে বিভিন্ন ধরনের স্মৃতি সংগ্রহ করেন তারা। চার বছর পর ২০১০ সালে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয় এই জাদুঘর।

এরপর ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে আরেকটি শাখা প্রতিষ্ঠা করেন তারা।

এই জাদুঘরে বিচ্ছেদের স্মৃতি হিসেবে বেশকিছু উদ্ভট বস্তু রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- একটি কুঠার, যা জমা দিয়েছেন একজন নারী। এই কুঠার দিয়ে তিনি তার সাবেক প্রেমিকের বাড়ির সব আসবাবপত্র ভেঙে টুকরো টুকরো করেছিলেন।

আরেকজন নারী জমা দিয়েছেন এক জোড়া গোলাপী বর্ণের কৃত্রিম স্তন, যা তার সাবেক প্রেমিক যৌনমিলনের আগে তাকে পরাতেন।

একজন পুরুষ জমা দিয়েছেন, তার সাবেক প্রেমিকার জমানো বেশ কিছু প্লে-বয় ম্যাগাজিন, যেগুলো বিচ্ছেদের পর তিনি নিতে ভুলে গেছেন।

অন্য একজন নারী জমা দিয়েছেন, একজোড়া সিলিকনের স্তন, যা তার প্রেমিক তাকে ব্যবহার করতে বাধ্য করেছিলেন। বিচ্ছেদের পর তিনি তা খুলে ফেলেন।

এরকম হাজারো স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়েছে এই জাদুঘরে।

মজার বিষয় হচ্ছে, এসব স্মৃতির সাথে প্রেমিক-প্রেমিকার নানা ধরনের উক্তিও শোভা পাচ্ছে জাদুঘরে। এসব উক্তি থেকে দর্শনার্থীরা ধারণা নিতে পারেন তাদের জীবনের চাল-চলন। তবে এসব উক্তিতে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।


শুটিং স্পট এখন বাস্তবের শহর



হলিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে রয় রজার্স, ডিক কার্টিস এবং রাসেল হাইডেন অন্যতম। ১৯৪০ এর দশকে তারা চলচ্চিত্র প্রেমীদের অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। এসব চলচ্চিত্র নির্মাণে তারা শুটিংয়ের নেশায় দূর-বহুদূর ছুটে বেরিয়েছেন। এভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছোটাছুটি করতে গিয়ে এক ধরনের ক্লান্তি অনুভব করেন তারা। তাই ১৯৪৬ সালে তারা একটি শুটিং স্পট তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। সিন্ধান্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার মরুঅঞ্চলে গড়ে তোলেন একটি শুটিং স্পট, যার নাম দেন ‘ওয়াইল্ড ওয়েস্ট সেট’। এখানে চলচ্চিত্র নির্মাণের সব ধরনের ব্যবস্থা ছিল। এছাড়া ছিল নানা ধরনের স্থায়ী এবং অস্থায়ী স্থাপনা। পাশাপাশি নির্মাতা ও অভিনয় শিল্পীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও ছিল।


যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ইউকা ভ্যালি থেকে চার মাইল দূরে এবং লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে মাত্র দুই ঘণ্টার রাস্তা এই ‘ওয়াইল্ড ওয়েস্ট সেট’। ধীরে ধীরে এটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে পরবর্তীতে তা বাস্তবের শহরে রূপ নেয়, যার নাম দেওয়া হয় পাইওনিয়ার টাউন।

‘দ্য সিসকো কিড’, ‘জাজ রয় বীন’ এবং ‘দ্য জেনি অট্রি শো’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের শুটিং এই পাইওনিয়ার টাউনেই হয়েছে।




যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যখন হলিউডের চলচ্চিত্রের ধরন, কাহিনী ও ব্যবসায়িক পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসে, তখন নির্মাতারা এই শুটিং স্পট ছেড়ে নানা দিকে ছড়িয়ে পড়েন। আর পাইওনিয়ার টাউন পরিণত হয় একটি জনপ্রিয় পর্যটন শিল্পে। আর এই জনিপ্রয়তাই ধীরে ধীরে এটিকে বাস্তবের শহরে পরিণত করে।

কাদার নিচে চাপা পড়েছে যে শহর


চিলির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর চৈতেন। এই শহরের নামে সেখানে রয়েছে একটি আগ্নেয়গিরি, যা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। প্রায় ১০ হাজার বছর নিষ্ক্রিয় থাকার পর ২০০৮ সালের ২ মে আবারো ফুঁসে ওঠে এই আগ্নেয়গিরি। এর অগ্ন্যুৎপাত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, প্রায় ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছাই উপরে উঠেছিল। এর প্রভাবে চারদিকে ১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। এতে ঢাকা পড়ে যায় প্রায় গোটা শহর। শুধু তাই নয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্র আর্জেন্টিনা সীমান্তও অতিক্রম করে এই ছাই। বেশ কয়েকদিন টানা এভাবে অগ্ন্যুৎপাত করতে থাকে এই চৈতেন আগ্নেয়গিরি।

আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে বেরিয়ে আসা কাদা মাটির স্রোতে ভেসে যায় প্রায় গোটা শহর। কাদার স্রোত নদীতে গিয়ে পড়তে থাকে। এক সময় নদীর তলাও ভরে যায়। ফলে ঘরের মেঝে, রাস্তাঘাট, ফসলের জমি সব ঢাকা পড়ে কাদা মাটির নিচে। এর ফলে শহরের প্রায় অর্ধেকটা একেবারে অচল হয়ে যায়, দেখে মনে হবে যেন কোনো ধ্বংসস্তূপ এটি।

ভয়াবহ এই অগ্ন্যুৎপাতের সময় শহরে প্রায় চার হাজার মানুষের বসবাস ছিল। দেশটির সরকার তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়। ফলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ব্যাপক। পাকা ঘরবাড়ির ধ্বসে পড়েছে। কাদার স্রোতে ভেসে নদীতে গিয়ে পড়েছে বহু গাড়ি।

এখনো পর্যন্ত এই চৈতেন শহরের অর্ধেক অংশ কাদা মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। বাকি অর্ধেক অংশের মানুষ ভয়াবহ এই ‌দুর্যোগ কেটে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। অবশ্য দেশটির সরকার এখানকার বাসিন্দাদের অন্যত্র বসবাসের ব্যবস্থা করার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, কিন্তু তারা এই সিদ্ধান্তে রাজি হয়নি। বরং তারা এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। তাদের আশা, জন্মভূমিতেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেবেন তারা।


বাংলাদেশের প্রতি আমার আলাদা টান আছে : ঋত্বিকা

ঋত্বিকা সেন

পশ্চিমবঙ্গের মালদাহর সেন বাড়ির মেয়ে ঋত্বিকা সেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয় করছেন তিনি। শিশুশিল্পী হিসেবে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেছেন। ২০১২ সালে ‘১০০% লাভ’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথম চলচ্চিত্রে নাম লেখান তিনি। এরপরে রাজা চন্দর ‘চ্যালেঞ্জ-টু’ ও ২০১৪ সালে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘বরবাদ’ সিনেমায় বনি সেনগুপ্তের বিপরীতে অভিনয় করে সকলের নজরে আসেন ঋত্বিকা। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ‘আরশিনগর’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ওপার বাংলার পাশাপাশি এপার বাংলাতেও রয়েছে তার দর্শকপ্রিয়তা।

‘বরবাদ’ সিনেমা খ্যাত এ অভিনেত্রী বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার সিনেমায় কাজ করছেন। সিনেমাটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন বাংলাদেশের কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও ভারতের নেহাল দত্ত। বাংলাদেশের ভেনাস মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের ভিশন এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করছে। এতে ঋত্বিকার বিপরীতে অভিনয় করছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়ক শ্রাবণ খান।

  ৯ মার্চ থেকে ঢাকায় এ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিতে  ৮ মার্চ বাংলাদেশে আসেন ঋত্বিকা সেন। উত্তরার মন্দিরা শুটিং সেটে ঋত্বিকার সঙ্গে কথা হয় মিডিয়া স্টারস প্রতিবেদকের। আলাপচারিতার বিশেষ অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

মিডিয়া স্টারস : প্রথমবার বাংলাদেশে এসেছেন। এখানে এসে কেমন লাগছে?
ঋত্বিকা : 
প্রথম এসেই ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে। এখানকার পুরো বিষয়ই আমি এনজয় করছি। ওয়েলকামটা ভালো লেগেছে। আমার মনে হয় এখানকার লোকজন অনেক বেশি আন্তরিক। যেটা আমি খুব এনজয় করছি, আনন্দ পাচ্ছি। পুরো জার্নিটাই ভালো লাগছে। আজকে এখানে প্রথম শুটিং করছি। এখানে ইউনিটে যারা রয়েছেন তারাও খুব ভালো।

মিডিয়া স্টারস : বাংলাদেশে কোন বিষয়টি আপনার বেশি ভালো লেগেছে?
ঋত্বিকা :
 এদেশের কালচারটা আমার ভালো লাগছে। এখানকার খাবার খুব বিখ্যাত। কালকে এসে খেয়েছি, এখনো খাচ্ছি। খাবারটা খুব এনজয় করছি। খাবারটা খুব রসিয়েই এনজয় করছি। কালকে রাতে আমি মাছ খেয়েছি। কালকের খাবারের স্বাদটা এখনো আমার জিভে লেগে রয়েছে।





মিডিয়া স্টারস : বাংলাদেশে কাজ করার ইচ্ছেটা কি আগে থেকেই ছিল?
ঋত্বিকা :
একদম। অনেকদিন আগে থেকেই এখানে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। তাছাড়া বাংলাদেশে আসার ইচ্ছে অনেক দিন ধরেই ছিল। শুটিংয়ের জন্যও আসার কথা ছিল। কিন্তু আসা হয়নি। শেষ পর্যন্ত এবার আসা হলো। অনেকবার ভেবেছিলাম আসব কিন্তু শুটিং বাতিল হওয়ায় আসা হয়নি। এবারে ফাইনালি যাত্রাটা শুভ হয়েছে। যখন ইন্ডিয়া থেকে বের হলাম তখন ওখানে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টি যাত্রা শুভ হয়। মিষ্টি একটা পরিবেশ ছিল।

মিডিয়া স্টারস : বাংলাদেশের সিনেমা দেখা হয় কি?
ঋত্বিকা : 
সব ধরনের সিনেমা আমি দেখি। অন্যান্য দেশের সিনেমা দেখেই আমি উৎসাহিত হই। আমার পছন্দের কোনো শিল্পী নেই। তবে আমি সব ধরনের সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। সিনেমা দেখতে ভালো লাগে। তিন ঘণ্টা সিনেমা দেখে আমরা বলে দেই ভালো লাগছে না খারাপ লাগছে। কিন্তু সেটা করতে কতটা কষ্ট পোহাতে হয় সেটা আমরাই বলতে পারি।

মিডিয়া স্টারস : যৌথ প্রযোজনা নয় শুধু বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করার ইচ্ছে আছে কি?
ঋত্বিকা :
 এদেশের সিনেমায় কাজ করার খুবই ইচ্ছে আছে। আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে দর্শকদের ভালোবাসা। এর জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। যারা আমাকে সার্পোট করেছেন, যাদের জন্য আমি সিনেমায় কাজ করছি এবং কাজকে ভালোবাসি। দর্শকদের যে সাড়া পাচ্ছি এর ৯৫ ভাগ পাচ্ছি বাংলাদেশের দর্শক থেকে। এ জন্য বাংলাদেশের প্রতি আমার আলাদা টান রয়েছে। এখানকার দর্শক খুব ভালো। আমি দেখেছি এখানকার লোকজনের অদ্ভুত আন্তরিকতা রয়েছে। এখানকার লোকজনের সঙ্গে কাজ করে মন ভরে যাচ্ছে। আগামীতে সুযোগ পেলে অবশ্যই কাজ করব।

মিডিয়া স্টারস : যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘গাদ্দার’-এ যুক্ত হলেন কীভাবে?
ঋত্বিকা : 
প্রথমে নেহাল দা আমাকে ডাকেন। তিনি আমাকে প্রথমে গল্পটা শোনান। গল্পটা শুনেই আমি কাজটি করতে আগ্রহী হই। তাছাড়া দুই দেশের সিনেমা বলে একটু বেশি আগ্রহী ছিলাম। কারণ অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল দুই বাংলার  সিনেমায় আমি কাজ করব।

মিডিয়া স্টারস : সহশিল্পী শ্রাবণ খানের সঙ্গে আপনার কাজের রসায়নটা কেমন?
ঋত্বিকা :
 শ্রাবণ তো বন্ধুর মতো। শুটিং সেটে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ থাকে। শ্রাবণ খুব কিউট। মানুষ হিসেবেও ভালো। নেহাল দা, শ্রাবণ প্রত্যেকেই বন্ধুর মতো। আমাদের পরিচালক নেহাল দা কি চাইছেন সেটা খুব সহজে বোঝাতে পারেন। আর এটা বুঝতে পারা আমাদের সব থেকে বড় একটা ক্রেডিট। অনেক পরিচালক সেটা বোঝাতে পারেন না।




 মিডিয়া স্টারস : ‘গাদ্দার’ সিনেমায় আপনাকে কেমন চরিত্রে দেখা যাবে?
ঋত্বিকা :
এখানে আমি একটা মিষ্টি মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি। বলা যায় খুব শান্ত ও মিষ্টি মেয়ে রূপে দর্শক আমাকে পাবেন। এতে আমি দুটি চরিত্রে অভিনয় করছি। এখন আপাতত একটি চরিত্রের কথা বলছি। আর একটা চরিত্র খুব সারপ্রাইজিং। এ চরিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো। এ সিনেমায় মজাটা ডাবল চরিত্র এবং অভিনয় করার জায়গাটাও ডাবল।

মিডিয়া স্টারস : ‘গাদ্দার’ সিনেমা বাদে বর্তমানে আপনি আর কি কাজ করছেন?
ঋত্বিকা :
 সামনে দুটো সিনেমার কাজ শুরু করব। দুটোই কলকাতার সিনেমা। এগুলোর নাম এখনই বলছি না। খুব শিগগিরই এসব সিনেমার কাজ শুরু হবে।

মিডিয়া স্টারস : সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার কোনো অ্যাকাউন্ট রয়েছি কি?
ঋত্বিকা :
 ফেসবুকে আমার অনেকগুলো ফেক আইডি খোলা হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় না কোনটি আমি। তাই ফেসবুক ইউজ করি না। এখন শুধু টুইটার ইউজ করি।

মিডিয়া স্টারস: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ঋত্বিকা : 
মিডিয়া স্টারসকেও ধন্যবাদ।

গা ছমছমে ১৫ ডকুমেন্টারি (পর্ব: ১)



বর্তমান সময়ে ভিডিও ফিকশান এর ক্ষেত্রে ডকুমেন্টারি বা তথ্যচিত্র এর কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে। কারণ এটি মূলত একটি সত্য ঘটনা বা আখ্যান নির্ভর, যা কিনা অডিও ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

প্রামাণ্যচিত্র জনপ্রিয় হয়ে উঠার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, এটি দর্শকদের সঙ্গে ঘটনার সরাসরি মিথস্ক্রিয়া ঘটায়। এই শিল্প-ফর্মটি পূজনীয় সুনাম অর্জন করেছে বছরের পর বছর ধরে সত্য ঘটনা তুলে ধরার জন্য।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, ডকুমেন্টারি সবসময় বাস্তব বা সত্য বিষয় নির্ভর হবে। কিন্তু এটা সত্য যে, নির্দিষ্ট একটি সত্য ভালোভাবে বুঝতে এটি তার দর্শককে সাহায্য করতে পারে।

সুতরাং যদি আপনি ডকুমেন্টারি সম্পর্কে কৌতূহল হন সেক্ষেত্রে এই তালিকা আপনার কৌতূহল সামান্য হলেও মিটাবে। তবে আপনার যদি সহজেই আঁতকে ওঠার অভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে এ ডকুমেন্টারিগুলো দেখা থেকে বিরত থাকা উচিত।

এ ধরনের ১৫টি ডকুমেন্টারি নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্বে থাকছে ৭টি ডকুমেন্টারির তথ্য।

১. যিশু ক্যাম্প



এই ডকুমেন্টারি তিনটি শিশুর ওপর নির্মিত হয়েছে, যারা উত্তর ডাকোটার একটি খৃস্টান গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে উপস্থিত হয়েছিল। ডকুমেন্টারিতে শিশুদের ক্ষমতায়নের অনুশীলন দেখানো হয়েছে যারা বিশ্বাস করে যে, তাদের মধ্যে নবীর ছায়া রয়েছে এবং তারা ‘যিশুর জন্য আমেরিকাকে ফেরত আনতে পারে।’

তবে এই ডকুমেন্টিারি নিয়ে এত বিতর্ক হয়েছিল যে, অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসন খ্রিস্টান গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প বন্ধ করে দিয়েছিল।


২. অওকিগাহারা : জাপানের সুইসাইড জঙ্গল 



অওকিগাহারা জাপানের ফুজি পর্বতমালার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ৩৫ বর্গ কিলোমিটারের একটি জঙ্গল, যা কিনা আত্মহত্যা করার জন্য পুরোপুরি নিরিবিলি একটি স্থান। আত্মহত্যা করার জন্য এটি জাপানের আলোচিত স্থান, যেখান থেকে কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর ১০০ লাশ উদ্ধার করে। আত্মহত্যার হট স্পট হিসেবে খ্যাতি অর্জন করা এই অওকিগাহারা বন নিয়েই এই তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে।


৩. দ্য ব্রিজ



আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজ খুবই পরিচিত, যার রেলিং থেকে ১০০০ এরও বেশি মানুষ আত্মঘাতী জাম্প দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ডকুমেন্টারি মানসিক অসুস্থতা বা আসক্তি থেকে সংগ্রামরত মানুষের মৃত্যুর একটি ঘটনাপঞ্জি। এই প্রামাণ্যচিত্রে ক্যামেরায় ধরা পড়া অসংখ্য আত্মঘাতী জাম্প তুলে ধরা হয়েছে।

৪. মনস্তাপ শিশু




এই সংক্ষিপ্ত ডকুমেন্টারি বৈৎ নামে একটি শিশুর সাক্ষাৎকার নিয়ে গঠিত, যে তার নতুন আশ্রয়দাতা পরিবারের সঙ্গে নৃশংস আচরণ করেছিল। সাক্ষাৎকারে বৈৎ জানায় যে, সে নৃশংসভাবে তার ছোট ভাইয়ের লিঙ্গে আঘাত করেছিল এবং তার পালক বাবাকে হত্যা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল।

৫. দুঃস্বপ্ন




যদি আপনি কিছু দিনের জন্য আপনার রাতের নিশ্চিন্তের ঘুমকে মিস করতে চান তবে এই ডকুমেন্টারি আপনি আজ রাতে দেখতে পারেন। এই ডকুমেন্টারির বর্ণনায় গা ছমছমে ‘ঘুম পক্ষাঘাত’ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে এবং যারা এটি অনুভব করেছেন তাদের সাক্ষ্যও তুলে ধরা হয়েছে। এতে একজন বিশেষ রোগীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে যে, কিভাবে তিনি একবার এটা অনুভব করেছিলেন এবং কিভাবে তিনি ঘুম পক্ষাঘাত সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন।
৬. দ্য অ্যাক্ট অব কিলিং


খুবই গ্লানিকর একটি ডকুমেন্টারি এটি। একসময়  ইন্দোনেশিয়ায় ডেথ স্কোয়াড সক্রিয় ছিল যারা ১৯৬৫-৬৬ সালে লাখ লাখ কমিউনিস্টদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল। শিকার এবং অপরাধী- উভয়ের ওপর এই ডকুমেন্টারি তৈরি করা হয়েছে।
৭. দ্য অ্যাক্ট অব সিয়িং ওইথ ওয়ান’স ওউন আইস


এই ডকুমেন্টারি প্রাণহীন মানবদেহের একটি অ-আখ্যান অডিও ভিজ্যুয়াল দলিল। মাঝে মধ্যে এতে মর্গে মৃতদেহের ওপর জুম করে ধরা হয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় শরীর থেকে অঙ্গ আহরণ করাও এতে তুলে ধরা হয়েছে। এটি জীবন ও মৃত্যু প্রক্রিয়ার ওপর একটি বিমূর্ত বিবৃতি।

তথ্যসূত্র : স্কুপহুপ  
Copyright © 2015 মিডিয়া স্টারস
| Distributed By Gooyaabi Templates